মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে কফি নয়, স্বস্তি দিতে পারে বরফ
মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে অনেকেই দ্রুত আরামের জন্য বেদনানাশক ওষুধ বা কফির ওপর নির্ভর করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ওষুধ হাতের কাছে না থাকলে আইস থেরাপি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ব্যথার তীব্রতা কমাতে সহায়তা করতে পারে।
বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাবের কারণে মাইগ্রেনের সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। এ রোগে সাধারণত মাথার এক পাশে তীব্র ধুকপুক ধরনের ব্যথা অনুভূত হয়। অনেকের ক্ষেত্রে এই ব্যথা ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি বমিভাব, মাথা ঘোরা এবং আলো বা শব্দে অস্বস্তির মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হওয়ার পর তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুলির মাঝামাঝি অংশে কয়েক মিনিট বরফের টুকরো দিয়ে হালকা চাপ দিলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সাময়িক আরাম মিলতে পারে। মুম্বাইয়ের চিকিৎসক নূপুর জৈনের ভাষ্য, হাতের এই অংশে থাকা একটি নির্দিষ্ট চাপবিন্দু উদ্দীপিত হলে ঠান্ডা অনুভূতির মাধ্যমে ব্যথার তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে।
তবে তিনি মনে করিয়ে দেন, এটি মাইগ্রেনের স্থায়ী চিকিৎসা নয়। বরং ওষুধ না থাকলে বা চিকিৎসা পাওয়ার আগ পর্যন্ত অস্বস্তি কমানোর একটি সহায়ক পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, যাদের ঘন ঘন মাইগ্রেনের সমস্যা হয়, তাদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত খাবার খাওয়া এবং যেসব কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ হয়, সেগুলো এড়িয়ে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, আইস থেরাপি সবার ক্ষেত্রে একইভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র হলে নিজে নিজে চিকিৎসা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
প্রতি / এডি / শাআ










